কবিতাকে বলা যায় সাহিত্যের সব চেয়ে শক্তিশালী মাধ্যমের মধ্যে একটি । ছন্দের আড়ালে মনের ভাব প্রকাশ করার, এর চেয়ে বড় আর কোন মাধ্যম নেই । বাংলা সাহিত্যেও দিকপাল অনেক কবি এসেছেন । তাদের মাঝে নিঃসন্দেহে রবীন্দ্রনাথকে সবার ওপরে রাখতেই হবে । আর রবীন্দ্রনাথের পরে যদি কাউকে রাখতেই হয়, সেটা নজরুল ।
১৮৯৯ সালে বর্ধমানে এক গরিব পরিবারে জন্ম নিলেও, ছোট বেলা থেকে কবিতা, গান, নাটক, অভিনয়, পালাগানের প্রতি নজরুলের ঝোঁক ছিল । ছোটবেলা থেকেই কবিতা, ছড়া, পালাগান, লেটগান রচনাতেও তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত । কিছুটা অস্থির প্রকৃতির হলেও সচেতন ছিলেন দেশ-মাটি সম্পর্কেও । যার প্রমাণ আমরা পাই তাকে ১ম বিশ্ব যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে দেখে । কিন্তু তার প্রতিভার বিস্ফুরণ ছিল সবখানেই সমান । কোথাও তার বিন্দুমাত্র চ্যুতি ঘটেনি ।
তিনি কবিতাকে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যাবহার করেছেন । ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, সকল অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার কাজে তিনি কবিতাকে বানিয়েছেন অস্ত্র । রবীন্দ্রনাথের চেয়ে ৩৮ বছরের ছোট হলেও, রবীন্দ্রনাথ তার অনুজ এই কবির আবির্ভাবকে স্বাগত জানিয়েছেন আন্তরিকভাবেই । রবীন্দ্রনাথ তার "বসন্ত" নাটিকাটি নজরুলকে উৎসর্গ করেন, যখন নজরুলের বয়স মাত্র ২৩, এবং তিনি ছিলেন কারাগারে রাজদ্রোহের অপরাধে । সমসাময়িক অনেক সাহিত্যিক নজরুলের উত্থানকে স্বাগত না জানালেও, বাংলা সাহিত্যের প্রবাদ পুরুষ রবীন্দ্রনাথ যখন নজরুলকে উৎসর্গ করলেন তার নিজের রচনা, তখন নজরুলকে নিয়ে কারও মনে কোন সন্দেহ রইলনা । কারাগারে থাকার সময় অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ যখন নজরুল অনশন শুরু করলেন তখনও রবীন্দ্রনাথ নিজে নজরুলকে অনশন বন্ধ করার জন্য চিঠি লিখেছিলেন, কিন্তু সেই চিঠি পৌঁছায়নি । সমসাময়িক কবিদের মাঝে থেকেও নিজের এক আলাদা জগত তৈরি করেছিলেন নজরুল, যা আজও অক্ষুন্ন আছে । নজরুলের নিজের রচনাতে রবীন্দ্রনাথের প্রচুর প্রভাব লক্ষ্য করা যায় । তারপরও নজরুল আপন মহিমায় উজ্জ্বল, চির শাশ্বত ।
মাত্র ২০ বছরের সাহিত্যিক জীবনে নজরুল সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই নিজের প্রতিভার ছাপ রেখেছেন । জীবনের শেষ দিকে বাক শক্তি হারিয়ে ফেললেও নজরুলের উপস্থিতিই অনেক কিছু ছিল ।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে এনে কবিকে জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়া হয় । ঢাকাতেই ১৯৭৬ সালে মারা যান এই বিদ্রোহী কবি ।
তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, তবুও তার গান, কবিতা... তার রচনা আজও আমাদের প্রেরণা যোগায় । তিনি আমাদের মাঝে জন্মেছিলেন বলে যে তিনি শুধু আমাদের, তা নয় । তিনি সকল দেশের, সকল মানুষের ।
১৮৯৯ সালে বর্ধমানে এক গরিব পরিবারে জন্ম নিলেও, ছোট বেলা থেকে কবিতা, গান, নাটক, অভিনয়, পালাগানের প্রতি নজরুলের ঝোঁক ছিল । ছোটবেলা থেকেই কবিতা, ছড়া, পালাগান, লেটগান রচনাতেও তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত । কিছুটা অস্থির প্রকৃতির হলেও সচেতন ছিলেন দেশ-মাটি সম্পর্কেও । যার প্রমাণ আমরা পাই তাকে ১ম বিশ্ব যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে দেখে । কিন্তু তার প্রতিভার বিস্ফুরণ ছিল সবখানেই সমান । কোথাও তার বিন্দুমাত্র চ্যুতি ঘটেনি ।
তিনি কবিতাকে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে ব্যাবহার করেছেন । ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, সকল অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার কাজে তিনি কবিতাকে বানিয়েছেন অস্ত্র । রবীন্দ্রনাথের চেয়ে ৩৮ বছরের ছোট হলেও, রবীন্দ্রনাথ তার অনুজ এই কবির আবির্ভাবকে স্বাগত জানিয়েছেন আন্তরিকভাবেই । রবীন্দ্রনাথ তার "বসন্ত" নাটিকাটি নজরুলকে উৎসর্গ করেন, যখন নজরুলের বয়স মাত্র ২৩, এবং তিনি ছিলেন কারাগারে রাজদ্রোহের অপরাধে । সমসাময়িক অনেক সাহিত্যিক নজরুলের উত্থানকে স্বাগত না জানালেও, বাংলা সাহিত্যের প্রবাদ পুরুষ রবীন্দ্রনাথ যখন নজরুলকে উৎসর্গ করলেন তার নিজের রচনা, তখন নজরুলকে নিয়ে কারও মনে কোন সন্দেহ রইলনা । কারাগারে থাকার সময় অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ যখন নজরুল অনশন শুরু করলেন তখনও রবীন্দ্রনাথ নিজে নজরুলকে অনশন বন্ধ করার জন্য চিঠি লিখেছিলেন, কিন্তু সেই চিঠি পৌঁছায়নি । সমসাময়িক কবিদের মাঝে থেকেও নিজের এক আলাদা জগত তৈরি করেছিলেন নজরুল, যা আজও অক্ষুন্ন আছে । নজরুলের নিজের রচনাতে রবীন্দ্রনাথের প্রচুর প্রভাব লক্ষ্য করা যায় । তারপরও নজরুল আপন মহিমায় উজ্জ্বল, চির শাশ্বত ।
মাত্র ২০ বছরের সাহিত্যিক জীবনে নজরুল সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই নিজের প্রতিভার ছাপ রেখেছেন । জীবনের শেষ দিকে বাক শক্তি হারিয়ে ফেললেও নজরুলের উপস্থিতিই অনেক কিছু ছিল ।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে এনে কবিকে জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়া হয় । ঢাকাতেই ১৯৭৬ সালে মারা যান এই বিদ্রোহী কবি ।
তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, তবুও তার গান, কবিতা... তার রচনা আজও আমাদের প্রেরণা যোগায় । তিনি আমাদের মাঝে জন্মেছিলেন বলে যে তিনি শুধু আমাদের, তা নয় । তিনি সকল দেশের, সকল মানুষের ।
.jpg)
No comments:
Post a Comment